আমি কয়েক দিন আগে " স্ক্রাচের কর্নেল " বইটা পরছিলাম। রাত ভর ঘুমোতে পারিনি, বার বার মনে হচ্ছিল হোক না হয় বার্থ বিপ্লব তবুও সারাজীবনের সপ্ন সেই বিপ্লব সে করেছে। মনে হচ্ছিল এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে। কর্নেল তাহের আমার কাছে চে র মত নায়ক হয়ে আছেন মনে হয় আজীবন এই বিপ্লবী বার বার আসে না, তাদের সপ্ন গুলো আমাদের মত ছাপোসা মানুষ দের নারা দিয়ে যায়।
এই কথা গুলো লিখছি সেই প্রেক্ষাপট টা ভিন্ন, যাকে ঘৃনা করেছি সারাটা সময়, গোলাম আজম কে নিয়ে যার বিচারের রায় আজ ঘোষণা হবে। গত রাত থেকে ভাবছি "এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে!!"
অনেক আগে আমি পরেছিলাম "৭০ থেকে ৯০ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট "। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গোলাম আজম যখন প্রথম দেশে এসেছিলেন, তখন বায়তুল মোকারম মসজিদে ফজরের নামাজের পর গণপিটুনি খেয়েছিল। আমি দেখেছি সেই লোকটা কোথাও জনসভা করলে লাখ মানুষের জমায়েত। আজ তার বিচারের রায়, সারা দেশে হরতাল স্তব্দ ঢাকা।
আমার ভেতর যেমন চে তাহের বেচে আছে, তেমনি হয়ত লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে বিপ্লবী হয়ে, এই বিচার তাদের ভেতর তাদের কাছে প্রহসন। গণহত্যার নায়ক হবে অনেক মানুষের আদর্শের নায়ক।
কেন এই অবস্থা, সুধুই সময় পেছনে ৪২ টা বছর লাখ মানুষের রক্তে কেনা পথে তার অবাধ বিচরণ, আজ তার বিচারের রায় যাই হোক না কেন, আমি কোনো প্রভেদ দেখি না। আজ তার মতাদর্শি অনেক অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর সে ইংলান্ডে বসে পাকিস্থান পুনরুদ্ধার করেছে।
এই লোকটা এত অন্যায়ের হোতা হয়েও ভাববে আমি পেরেছি, আমি পেরেছি। আর লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে। জানিনা পৃথিবীর কোনো দেশে স্বাধীনতার পর এত প্রহসন হয়ছে কিনা !!!
এই কথা গুলো লিখছি সেই প্রেক্ষাপট টা ভিন্ন, যাকে ঘৃনা করেছি সারাটা সময়, গোলাম আজম কে নিয়ে যার বিচারের রায় আজ ঘোষণা হবে। গত রাত থেকে ভাবছি "এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে!!"
অনেক আগে আমি পরেছিলাম "৭০ থেকে ৯০ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট "। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গোলাম আজম যখন প্রথম দেশে এসেছিলেন, তখন বায়তুল মোকারম মসজিদে ফজরের নামাজের পর গণপিটুনি খেয়েছিল। আমি দেখেছি সেই লোকটা কোথাও জনসভা করলে লাখ মানুষের জমায়েত। আজ তার বিচারের রায়, সারা দেশে হরতাল স্তব্দ ঢাকা।
আমার ভেতর যেমন চে তাহের বেচে আছে, তেমনি হয়ত লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে বিপ্লবী হয়ে, এই বিচার তাদের ভেতর তাদের কাছে প্রহসন। গণহত্যার নায়ক হবে অনেক মানুষের আদর্শের নায়ক।
কেন এই অবস্থা, সুধুই সময় পেছনে ৪২ টা বছর লাখ মানুষের রক্তে কেনা পথে তার অবাধ বিচরণ, আজ তার বিচারের রায় যাই হোক না কেন, আমি কোনো প্রভেদ দেখি না। আজ তার মতাদর্শি অনেক অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর সে ইংলান্ডে বসে পাকিস্থান পুনরুদ্ধার করেছে।
এই লোকটা এত অন্যায়ের হোতা হয়েও ভাববে আমি পেরেছি, আমি পেরেছি। আর লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে। জানিনা পৃথিবীর কোনো দেশে স্বাধীনতার পর এত প্রহসন হয়ছে কিনা !!!