কেন যে মানুষ সভ্য হলো ! অথবা কেন যে মানুষ হয়ে জন্মালাম!!
মানুষ নাকি দিনে দিনে সভ্য হয়েছে, মানুষের ভেতর নাকি পশুত্ব মরে গিয়ে মনুষত্ব জন্মেছে!!
আসলে দিন যাচ্ছে আর মনে হচ্ছে আমরা পশুর চেয়ে খারাপ হচ্ছি, পশু তার খাবার জন্য অন্যকে বিনাশ করছে, কিন্তু আমরা কেন একে অন্যকে ধংশ করছি। এই কথা গুলো শুধু রাজনীতিতে নয় পারিবারিক ভাবেও সত্ব। একবার তাকালেই বোঝা যাই ১% ও একান্নবর্তী সংসার নাই দেশে। যৌবন পার হতেই ভাই ভাইয়ের সম্পর্ক থাকেনা। এইটা শুধু খাবার জন্য নয়, শুধুই অল্প কিছু স্বার্থ এবং মতভেদের জন্য সব সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।
আর এই ব্যক্তি স্বার্থ এবং মতভেদের আকার রাষ্ট্রীয় জীবনে কি নিয়ে আসছে, লাশ, রক্ত আর ভয় । কিছুদিন আগে আমার এক সহকর্মী হাসান একটা status শেয়ার দিয়েছিল আশার বাণী দিয়ে: " যে দেশে নাস্তিকের রক্ত যায় ধার্মিকের শরীরে, ধার্মিক জীবন বাজি রাখে মানুষ উধ্বারে, সে দেশের ভালো কিছু হবেই "। আসলে সব আশা শেষ হয়, আমি নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ি : এদেশে বিনা অপরাধে বিল্ডিং চাপা পরে, আগুনে পুরে মরে সাধারণ মানুষ, রাজনীতির খেলায় খুব সহজে জীবন দেয় সাধারণ মানুষ (হেফাজতে ইসলাম, পুলিশ, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ)। এই মানুষ গুলো সবারই হয়ত এক মাসের বেতন না পেলে সংসার চলেনা, কারো হয়ত একদিন কাজ না করলেই সংসার চলেনা। আর যারা কলকাঠি নারে তারা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে।
আজকের এই ধংস এর আগে সরকার কি আলোচনায় বসতে পারত না হেফাজতে ইসলাম সাথে। অথবা হেফাজতে ইসলাম ও কি আলোচনার প্রস্তাবনা করতে পারতনা।! আসলে সবই রাজনীতির খেলা, এইটা হলে তো খেলা জমে না। আপনি হয়ত বলবেন ফালতু কথা, তাই কেমন আলোচনা হতে পারত:
১. সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল করা।
আলোচনা: সৃষ্টিকর্তা সব ভাষা বোঝে, আর ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে আল্লাহ মানে তো অন্য কিছু না সৃষ্টিকর্তা। আমরা ব্রিটিশ আইন কপি করেছি, অতএব আমাদের প্রয়জনে সংশোধন করতেই পারি। মানুষের জীবনের চেয়ে তো সংবিধান বড় নয়।
২+৩. আল্লাহ্, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস। কুৎসা রটনাকারী ব্লগার ও ইসলামবিদ্বেষীদের সব অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শান্তিদানের ব্যবস্থা করা।
আলোচনা: পুরনো আইন আছে তবে আরো কঠিন করা যেতে পারে, আর হেফাজতে ইসলাম সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিয়ে আদালত এ কেইস করতে পারে। পুলিশ এবং সাংবাদিক রা তো নাস্তিক না।
৪. ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
আলোচনা: অনাচার, ব্যভিচার এই বিষয় গুলোতে আরো কঠোর হতে হবে। মোমবাতি প্রজ্বলন বিজাতীয় সংস্কৃতি নয় আমরা পীর, আউলিয়াদের দরবার এবং পুজোয় মোমবাতি, ধুপ আগরবাতি জালানো হয়। মোমবাতি কে সাধারণ মানুষ এতিটাই পবিত্র ভাবে মোমবাতি দিয়ে সিগারেট জালায় না।
বাকি দাবি গুলা ও ভেবে দেখুন, তাহলে কিশের জন্য এই রক্তপাত। সবই রাজনীতির খেলা আর আমরা আমাদের মনুষত্ব হারিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনে, পারিবারিক ভাবে তারই ফল এত রক্ত আর জীবন।
মানুষ নাকি দিনে দিনে সভ্য হয়েছে, মানুষের ভেতর নাকি পশুত্ব মরে গিয়ে মনুষত্ব জন্মেছে!!
আসলে দিন যাচ্ছে আর মনে হচ্ছে আমরা পশুর চেয়ে খারাপ হচ্ছি, পশু তার খাবার জন্য অন্যকে বিনাশ করছে, কিন্তু আমরা কেন একে অন্যকে ধংশ করছি। এই কথা গুলো শুধু রাজনীতিতে নয় পারিবারিক ভাবেও সত্ব। একবার তাকালেই বোঝা যাই ১% ও একান্নবর্তী সংসার নাই দেশে। যৌবন পার হতেই ভাই ভাইয়ের সম্পর্ক থাকেনা। এইটা শুধু খাবার জন্য নয়, শুধুই অল্প কিছু স্বার্থ এবং মতভেদের জন্য সব সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।
আর এই ব্যক্তি স্বার্থ এবং মতভেদের আকার রাষ্ট্রীয় জীবনে কি নিয়ে আসছে, লাশ, রক্ত আর ভয় । কিছুদিন আগে আমার এক সহকর্মী হাসান একটা status শেয়ার দিয়েছিল আশার বাণী দিয়ে: " যে দেশে নাস্তিকের রক্ত যায় ধার্মিকের শরীরে, ধার্মিক জীবন বাজি রাখে মানুষ উধ্বারে, সে দেশের ভালো কিছু হবেই "। আসলে সব আশা শেষ হয়, আমি নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ি : এদেশে বিনা অপরাধে বিল্ডিং চাপা পরে, আগুনে পুরে মরে সাধারণ মানুষ, রাজনীতির খেলায় খুব সহজে জীবন দেয় সাধারণ মানুষ (হেফাজতে ইসলাম, পুলিশ, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষ)। এই মানুষ গুলো সবারই হয়ত এক মাসের বেতন না পেলে সংসার চলেনা, কারো হয়ত একদিন কাজ না করলেই সংসার চলেনা। আর যারা কলকাঠি নারে তারা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে।
আজকের এই ধংস এর আগে সরকার কি আলোচনায় বসতে পারত না হেফাজতে ইসলাম সাথে। অথবা হেফাজতে ইসলাম ও কি আলোচনার প্রস্তাবনা করতে পারতনা।! আসলে সবই রাজনীতির খেলা, এইটা হলে তো খেলা জমে না। আপনি হয়ত বলবেন ফালতু কথা, তাই কেমন আলোচনা হতে পারত:
১. সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন এবং কোরআন-সুন্নাহবিরোধী সব আইন বাতিল করা।
আলোচনা: সৃষ্টিকর্তা সব ভাষা বোঝে, আর ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে আল্লাহ মানে তো অন্য কিছু না সৃষ্টিকর্তা। আমরা ব্রিটিশ আইন কপি করেছি, অতএব আমাদের প্রয়জনে সংশোধন করতেই পারি। মানুষের জীবনের চেয়ে তো সংবিধান বড় নয়।
২+৩. আল্লাহ্, রাসুল (সা.) ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুৎসা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে আইন পাস। কুৎসা রটনাকারী ব্লগার ও ইসলামবিদ্বেষীদের সব অপপ্রচার বন্ধসহ কঠোর শান্তিদানের ব্যবস্থা করা।
আলোচনা: পুরনো আইন আছে তবে আরো কঠিন করা যেতে পারে, আর হেফাজতে ইসলাম সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিয়ে আদালত এ কেইস করতে পারে। পুলিশ এবং সাংবাদিক রা তো নাস্তিক না।
৪. ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বলনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
আলোচনা: অনাচার, ব্যভিচার এই বিষয় গুলোতে আরো কঠোর হতে হবে। মোমবাতি প্রজ্বলন বিজাতীয় সংস্কৃতি নয় আমরা পীর, আউলিয়াদের দরবার এবং পুজোয় মোমবাতি, ধুপ আগরবাতি জালানো হয়। মোমবাতি কে সাধারণ মানুষ এতিটাই পবিত্র ভাবে মোমবাতি দিয়ে সিগারেট জালায় না।
বাকি দাবি গুলা ও ভেবে দেখুন, তাহলে কিশের জন্য এই রক্তপাত। সবই রাজনীতির খেলা আর আমরা আমাদের মনুষত্ব হারিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনে, পারিবারিক ভাবে তারই ফল এত রক্ত আর জীবন।