এই ঘড় হিসেব রাখেনি হাজারো রাত্রির,
যারা করা নেড়ে নেড়ে শেষে ফিরে গেছে ইতিহাসের অন্ধকূপে।
না না হয়ত ঘড় নয়, এটা হয়ত টেস্ট টিউব ..
সে যাই হোক, এই ঘড় আর আমি, এখানেই আমার হাজতবাস ।
বিবর্তনের জন্ম দেখার অজুহাতে এসেছি,
এসেছি সেই সময়কাল ছুয়ে দেখার আশায়, যেখানে মানুষের পরিচয় নেই
নেই হৃদয়ের-পশুত্বের বিভাজন, আছে শুধুই প্রানের সঞ্চারণ ।
পরীক্ষালব্ধ আমি, সঙ্গী ছায়াহীন-আলোহীন অজস্র মুহুর্তের
ছোট ছোট মুহূর্তু নিয়ে চলছি মরিচিকাময় কালের পথে .....
একটা খিল ধরা জানালা আছে এই ঘরে,
একটা বারান্দাও, সেখানে প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয়ে আছে হাজার বছরের ধুলো ।
অজানা কারণে আমি এলাম সে বারান্দায় ।
অবাক আমি, বিশ্বাসহীন বিস্ময়ে বিস্মিত চোখ
একটা আলো আধারি রাতের আকাশ ছড়িয়ে যাচ্ছে কখে , দুখন্ড সাদা মেঘ ধেয়ে আসছে ।
কি অদ্ভুত !!স্পস্ট হচ্ছে আমার জগৎ, জেগে উঠছে মানুষের হৃদয়,
বন্দ প্রেক্ষাগৃহের দুয়ার খুলছে, ফ্রেমে বন্দী ছবি গুলো জোড়া লাগছে,
তৈরী হচ্ছে চলমান ছবি,
একি দেখছি আমার মুখোমুখি তুমি...
শেষের কবিতার" শব্দ আমার মুখে, বলছি তোমায়:
"দোহাই তোদের, একটুকু চুপকর ।
ভালোবাসিবারে দে আমারে অবসর ।"
এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তোমার জন্য, বৃষ্টিতে ভিজে পথের ধরে দাড়িয়ে থাকে এক কিশোর
পকেটে তার ভালবাসার রাজ্য ।
ভেজা পকেটের চৌকাঠ পেরতে পারনি বলে সে তুমি রয়ে গেছ পুরনো শ্রেণীতে ।
এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তুমি কাধে মাথা রেখে পৃথিবী দেখার উপলক্ষ খুজতে ।
সেই তুমি তো কবেই কারো বুকে মাথা রেখে, বন্দী হয়েছ সাতজনমের কারাবাসে।
এ তুমি সে তুমিও নও,
যে তুমি বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাস চেপে রেখে জনম জনমের প্রলোভন দেখিয়েছ,
না এ তুমি সে তুমি নও ।
এই তুমি ছায়ার মত, আলোর মত , জন্ম্লঘ্না সময়ের সৃস্ট মানবী
নাহ নাহ তুমি মানবী নও, হয়ত পশু মানবী
না তুমি ভাষায় বন্দী নও, তুমি শুধুই প্রানের বহমান ধারা ।
যেখানে ভাষাহীন শব্দে কথা হয়, কথা হয় হৃদস্পন্দনে ।
অবিশ্বাস্য !!! মেঘের রং বদলে যাচ্ছে, বদলে যাচ্ছে রং থেকে রং এ
জানা নেই হয়ত একটু পরেই বদলাবে আকাশ, বদলাবে ছবির দৃশ্য
হয়ত ভাষাহীন তোমাকেই বলব "এতদিন কোথায় ছিলে !!"
যারা করা নেড়ে নেড়ে শেষে ফিরে গেছে ইতিহাসের অন্ধকূপে।
না না হয়ত ঘড় নয়, এটা হয়ত টেস্ট টিউব ..
সে যাই হোক, এই ঘড় আর আমি, এখানেই আমার হাজতবাস ।
বিবর্তনের জন্ম দেখার অজুহাতে এসেছি,
এসেছি সেই সময়কাল ছুয়ে দেখার আশায়, যেখানে মানুষের পরিচয় নেই
নেই হৃদয়ের-পশুত্বের বিভাজন, আছে শুধুই প্রানের সঞ্চারণ ।
পরীক্ষালব্ধ আমি, সঙ্গী ছায়াহীন-আলোহীন অজস্র মুহুর্তের
ছোট ছোট মুহূর্তু নিয়ে চলছি মরিচিকাময় কালের পথে .....
একটা খিল ধরা জানালা আছে এই ঘরে,
একটা বারান্দাও, সেখানে প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয়ে আছে হাজার বছরের ধুলো ।
অজানা কারণে আমি এলাম সে বারান্দায় ।
অবাক আমি, বিশ্বাসহীন বিস্ময়ে বিস্মিত চোখ
একটা আলো আধারি রাতের আকাশ ছড়িয়ে যাচ্ছে কখে , দুখন্ড সাদা মেঘ ধেয়ে আসছে ।
কি অদ্ভুত !!স্পস্ট হচ্ছে আমার জগৎ, জেগে উঠছে মানুষের হৃদয়,
বন্দ প্রেক্ষাগৃহের দুয়ার খুলছে, ফ্রেমে বন্দী ছবি গুলো জোড়া লাগছে,
তৈরী হচ্ছে চলমান ছবি,
একি দেখছি আমার মুখোমুখি তুমি...
শেষের কবিতার" শব্দ আমার মুখে, বলছি তোমায়:
"দোহাই তোদের, একটুকু চুপকর ।
ভালোবাসিবারে দে আমারে অবসর ।"
এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তোমার জন্য, বৃষ্টিতে ভিজে পথের ধরে দাড়িয়ে থাকে এক কিশোর
পকেটে তার ভালবাসার রাজ্য ।
ভেজা পকেটের চৌকাঠ পেরতে পারনি বলে সে তুমি রয়ে গেছ পুরনো শ্রেণীতে ।
এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তুমি কাধে মাথা রেখে পৃথিবী দেখার উপলক্ষ খুজতে ।
সেই তুমি তো কবেই কারো বুকে মাথা রেখে, বন্দী হয়েছ সাতজনমের কারাবাসে।
এ তুমি সে তুমিও নও,
যে তুমি বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাস চেপে রেখে জনম জনমের প্রলোভন দেখিয়েছ,
না এ তুমি সে তুমি নও ।
এই তুমি ছায়ার মত, আলোর মত , জন্ম্লঘ্না সময়ের সৃস্ট মানবী
নাহ নাহ তুমি মানবী নও, হয়ত পশু মানবী
না তুমি ভাষায় বন্দী নও, তুমি শুধুই প্রানের বহমান ধারা ।
যেখানে ভাষাহীন শব্দে কথা হয়, কথা হয় হৃদস্পন্দনে ।
অবিশ্বাস্য !!! মেঘের রং বদলে যাচ্ছে, বদলে যাচ্ছে রং থেকে রং এ
জানা নেই হয়ত একটু পরেই বদলাবে আকাশ, বদলাবে ছবির দৃশ্য
হয়ত ভাষাহীন তোমাকেই বলব "এতদিন কোথায় ছিলে !!"