Wednesday, 28 September 2016

পরীক্ষামূলক গিনিপিগের সপ্নকথা

এই ঘড় হিসেব রাখেনি হাজারো রাত্রির,
যারা করা নেড়ে নেড়ে শেষে ফিরে গেছে ইতিহাসের অন্ধকূপে
না না হয়ত ঘড় নয়, এটা হয়ত টেস্ট টিউব ..
সে যাই হোক, এই ঘড় আর আমি, এখানেই আমার হাজতবাস

বিবর্তনের জন্ম দেখার অজুহাতে এসেছি,
এসেছি সেই সময়কাল ছুয়ে দেখার আশায়, যেখানে মানুষের পরিচয় নেই
নেই হৃদয়ের-পশুত্বের বিভাজন, আছে শুধুই প্রানের সঞ্চারণ
পরীক্ষালব্ধ  আমি, সঙ্গী ছায়াহীন-আলোহীন অজস্র মুহুর্তের
ছোট ছোট মুহূর্তু নিয়ে চলছি মরিচিকাময় কালের পথে .....

একটা খিল ধরা জানালা আছে এই ঘরে,
একটা বারান্দাও, সেখানে প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয়ে আছে হাজার বছরের ধুলো
অজানা কারণে আমি এলাম সে বারান্দায়

অবাক আমি, বিশ্বাসহীন বিস্ময়ে বিস্মিত চোখ
একটা আলো আধারি রাতের আকাশ ছড়িয়ে যাচ্ছে কখে , দুখন্ড সাদা মেঘ ধেয়ে আসছে
কি অদ্ভুত !!স্পস্ট হচ্ছে আমার জগৎ, জেগে উঠছে মানুষের হৃদয়,
বন্দ প্রেক্ষাগৃহের দুয়ার খুলছে, ফ্রেমে বন্দী ছবি গুলো জোড়া লাগছে,
তৈরী হচ্ছে চলমান ছবি,

একি দেখছি আমার মুখোমুখি তুমি...
শেষের কবিতার" শব্দ আমার মুখে, বলছি তোমায়:
"দোহাই তোদের, একটুকু চুপকর
ভালোবাসিবারে দে আমারে অবসর "

এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তোমার জন্য, বৃষ্টিতে ভিজে পথের ধরে দাড়িয়ে থাকে এক কিশোর
পকেটে তার ভালবাসার রাজ্য
ভেজা পকেটের চৌকাঠ পেরতে পারনি বলে সে তুমি রয়ে গেছ পুরনো শ্রেণীতে

এ তুমি কিন্তু সে তুমি নও,
যে তুমি কাধে মাথা রেখে পৃথিবী দেখার উপলক্ষ খুজতে
সেই তুমি তো কবেই কারো বুকে মাথা রেখে, বন্দী হয়েছ সাতজনমের কারাবাসে

এ তুমি সে তুমিও নও,
যে তুমি বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাস চেপে রেখে জনম জনমের প্রলোভন দেখিয়েছ,
না এ তুমি সে তুমি নও

এই তুমি ছায়ার মত, আলোর মত , জন্ম্লঘ্না সময়ের সৃস্ট মানবী
নাহ নাহ তুমি মানবী নও, হয়ত পশু মানবী
না তুমি ভাষায় বন্দী নও, তুমি শুধুই প্রানের বহমান ধারা
যেখানে ভাষাহীন শব্দে কথা হয়, কথা হয় হৃদস্পন্দনে

অবিশ্বাস্য !!! মেঘের রং বদলে যাচ্ছে, বদলে যাচ্ছে রং থেকে রং এ
জানা নেই হয়ত একটু পরেই বদলাবে আকাশ, বদলাবে ছবির দৃশ্য
হয়ত ভাষাহীন তোমাকেই বলব "এতদিন কোথায় ছিলে !!"

 

Sunday, 23 August 2015

প্রেমের প্রয়োজন

কিছুটা প্রেম বুঝি আমারও দরকার ...
এক পেয়ালা প্রেম দেবে কেউ, আমি জানালার কার্নিশে রেখে দেব।
বিকেলের রোদ আসলে আমি দুরে দাড়িয়ে বুক ভরে প্রেম নেব
কিছুটা বিশ্বাস আর যন্ত্রনায় .. কিছুটা প্রেম আমারও দরকার।

যখন প্রেমের প্রয়োজন থাকবে না, তখন না হয় ফিরিয়ে দেব।
এক পেয়ালা প্রেম দেবে, আমি রেখে দেব রাত্রির ওপারে
সারাটা রাত ধরে প্রেম নেব চোখের তারায়
শব্দহীনতায় আর চোখের জলে .. কিছুটা প্রেম আমারও দরকার
এক পেয়ালা প্রেম দেবে কেউ ..... !!!

Thursday, 26 February 2015

মাঝে মাঝে বলদ বলদ লাগে নিজেকে।ঠিক বাড়ির পাশের অক্ষর জ্ঞানহীন মোস্তফা, হরি আর আমি একই হয়ে যাই।

অনেক লেখা পরলাম গত কয়েক ঘন্টায়, মাঝে মাঝে বলদ বলদ লাগে নিজেকে।ঠিক বাড়ির পাশের অক্ষর জ্ঞানহীন মোস্তফা, হরি আর আমি একই হয়ে যাই।

আমি জানিনা ঠিক খুন এর পর কিভাবে ধর্ম চলে আসে আলোচনায়, আবার তার পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি কখনো বা সেকুলারিসম, নাস্তিকতা আর বিজ্ঞান । আমি ঠিক হতভম্ব হয়ে যাই খুনের সাথে এগুলোর সম্পর্ক কি !!!

ধর্ম বিস্তারে যুদ্ধ/জিহাদ/ক্রুসেড আছে কিন্তু হটকারী খুন আছে বলে আমার জানা নেই। তাহলে ধর্ম আসে কেন !!! এই খুনিরা কি ধর্ম রক্ষাকারী নাকি ধর্ম বিনাশকারী !! আমি দেখেছি রতন সেন, হুমায়ুন আজাদ, বিশ্বজিত, তকি কে খুন করার পেছনে চলমান ধারার ৩ টা ( আওয়ামিলিগ, বিনপি ও জামাত ) রাজনৈতিক দলের লোক জড়িত, যার যখন প্রয়োজন হয়েছে।

তাহলে ধর্ম বা সেকুলারিসম কিংবা নাস্তিকতা আসে কিভাবে, সৃষ্টিকর্তার কে অমান্য করলেই তাকে খুন করতে হবে তাহলে আল্লাহ ইবলিস কে কেন মেরে ফেলল না !! আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে আদমকে সেজদা দিতে অশিকৃতি জানিয়েছে। সৃষ্টিকর্তাকে সরাসরি বলে দিয়েছে আমি আদম এর চেয়ে শ্রেষ্ট, আমাকে তৈরী করেছেন আগুন দিয়ে আর আদম কে মাটি দিয়ে।

আবার যদি ধরি স্টিভেন হকিংস এর কথা, ধরেই নিলাম সৃষ্টিকর্তা তাকে শারীরিক ভাবে পঙ্গু করে দিয়েছে কিন্তু তার মস্তিস্ক পঙ্গু করে নাই কারণ স্টিভেন হকিংস এর চিন্তা পৃথিবীর মঙ্গল বয়ে আনবে ।
"Big Bang Didn't Need God", Stephen Hawking

মাইকেল মধুসুধন দত্তরা টিকলি রাখা পৈতা পরা ব্রাহ্মন দেখলেই "গরু খাইছি" বলে দাবর দিত আর ওরাও জাত যাবে বলে দৌড় দিত। ইদানিং দেখি সেকুলার ভাইরা ও ধর্ম বিশ্বাসী ভাইদের দেখলে গান গায় "সৃষ্টিকর্তা নাই, ধর্ম নাই"। অদ্ভুত এক নাটক।

আমি অনেককে দেখেছি "আরজ আলী মাতুব্বর" বই দেখলেই বলে এই বই পরিস না পরলেই নাস্তিক হয়ে যাবি। তার জন্য মাতুব্বর সাহেব তো কাউকে জোর করেনি, তাহলে আপনারা যারা মাতুব্বর সাহেবের পরিমার্জিত চিন্তা ধারণ করেন তারা কেন গান ধরেন।

জানা মতে নবীজি, যিশুখ্রিস্ট, বুদ্ধ, বিবেকানন্দ, স্টিভেন হকিংস কেউই খুন কে প্রশ্রয় দেয়নি । আর আল্লাহ জ্ঞান সন্ধানীদের ভালবাসেন বলে মুসার উম্মদদের প্রজনন বন্দ করে দেয়নি।

তাই ভাইরা খুনের প্রশ্নে ধর্ম বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কে খুনের ভেতরে টেনে এনে নোংরা রাজনীতিকে সুযোগ করে দিয়েন না, মনে হয় আমাদের আধা শিক্ষিত মানুষ গুলোকে ঢাল বানিয়ে, বার্মায় মুসলিম মারে, রামুতে ভিক্ষুদের মারে .... হিন্দুরা মুসলিম মারে।

ভাই আমার ধর্মে বিশ্বাস নাই কিন্তু আমাকে আমার বাড়ির পাসের মোস্তফা বা হরির কোনদিন মারতে ইচ্ছে হয়নি আর আমার তাদের বিশ্বাস কেও আঘাত করতে ইচ্ছে হইনি। আমি গরুও খাই, প্রসাদ ও খাই তাতে আমার বন্ধুদের মায়েদের কোনদিন সমস্যা হয়নি। আমার মুসলিম মায়েরা আমাকে দাওয়াত দিলে গরু রান্নাই করে না, আবার হিন্দু মায়েরা আমি গরু খাই বলে খাবার পর আমার থালাটা ফেলে দেয়নি। সর্দার ফজলুল করিম স্মৃতিচারণে তার বড় ভাইয়ের কথা লিখেছে "হিন্দু মায়ের মুসলমান ছেলে"। ভাই এইটা বাংলাদেশ এখানে ধর্ম কারো বাধা না, অনেক বছর পর আমার স্কুল বন্ধুর Ashique Haque সাথে যোগাযোগ হলো, আমি পাচিল এর উপরে দাড়াতাম আর খালাম্মা জানালা দিয়ে সকালের নাস্তা খাইয়ে দিত।

আমাদের জন্যই একটা অগণতান্ত্রিক সরকার (আওয়ামিলিগ) এবং একটা অগণতান্ত্রিক দল (বিনপি) দেশ জিম্মি করে রাখে, আর আমরা ধর্ম বিশ্বাস আর অবিশ্বাস নিয়া ফেইসবুক এ ঝর তুলি ।

বিদ্র: বিনপির বন্ধুরা রাগ হবেন তাই বলি যারা নিজের দলের নির্বাচন করতে পারে না ( মির্জা ফকরুল এত বছরেও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ) তারা নির্বাচনের জন্য হরতাল করে ।

Friday, 13 February 2015

অস্পষ্ট ভালবাসার গল্প

আসলে বয়েসটাই কেমন যেন বিদঘুটে সব নিষিদ্ধ জিনিস গুলো কাছে টানার বয়েস।
পলাশ কেবল স্কুল পেরিয়ে কলেজ এ ভর্তি হয়েছে সাথে তার পুরনো স্কুলের বন্ধুরা কিছু নতুন বন্ধু । সবই আগের মত কেবল নিজেকে মনে হচ্ছে এক লাফে বোধ হয় অনেক বড় হয়ে গেছে। এই তো সেদিনের কথা প্রথম স্কুল পালিয়ে যেদিন  সিনেমা দেখতে গিয়েছিল, মনে হয়েছিল এভারেস্ট জয়ের মত এডভেঞ্চার করেছে । অথচ এখন মনে হচ্ছে বাচ্চাদের গল্প।
যখন নবম শ্রেণীতে উঠল প্রথম কয়েক বন্ধু মিলে গোপনে সিগারেট খেল, সেদিন প্রথম গোঁফ না ওঠার জন্য আক্ষেপ হল।ওর অনেক বন্ধুই রাস্তায় সিগারেট খায়, সে খেতে পারেনা সংকোচ আর ভয়ে, তার গোঁফ ওঠেনি কেমন যেন বাচ্চা ছেলেদের মত লাগে
সিগারেট হাতে রিক্সায় বসে নিজে নিজেই মুচকি হেসে ফেলল। কেমন যেন ওকে আজ চিন্তায় পেয়েছে, গাজা জিনিস টা অর ভালো লাগে না একটা বিদঘুটে গন্ধ আর নিজেকে সামাল দিতে পারে না তবুও কেউ হাত বাড়িয়ে দিলে না করে না, তাই জিতু যখন বলল কিরে বাড়ি দিবি নাকি একটা ও হাত বাড়িয়ে দিল. আজ অবশ্য সাবধানে টান দিয়েছে।  তাই নেশাটা জেঁকে ধরেনি একটা হালকা আমেজ, রিক্সায় ফুরফুরে বাতাসে ওকে ভাবনায় পেয়েছে, এত বাঁদরামির ভেতরে ও সবার একটা ভবিষ্যৎ চিন্তা আছে, শুধু ওর নেই অথচ অরি গুছিয়ে ওঠা উচিত, ওর পরিবার ত নিম্ন মধ্যবিত্ত।  অথচ ওর মধ্যে সব আজব চিন্তা ওর হুমায়ুন আহমেদের কবি হতে ইচ্ছে হয়, চোখের সামনে যেন দেখতে পায় নদীর ধার জোসনায় ছেয়ে গেছে। হুমায়ুন মাহমেদের গল্পের কবিদের মত কোনও সুন্দরীর হাত ধরে ফিরবে না, ইচ্ছে হয় নাহ কখনোই প্রকৃতির কাছ থেকে ফিরতে ইচ্ছা হয়না
পলাশের মনে হয় পৃথিবীতে তার মত স্বাধীন মানুষ কেউ নেই, সারাদিন সে রাজার মত মা গ্রামে থাকে বাবা আর তার দুই জনের ব্যাচেলর সংসার, সন্ধ্যা হবার আগে তার কোনও ঘরের ফেরার টান অনুভব করে না
কলেজ জীবন টা যে এত অদ্ভুত কখনই ভাবেনি, অনেক ছাত্রদের ভীরেও ওদের গ্রুপ টার একটা আলাদা ভাব তৈরি হয়েছে। ছাত্রনেতারা বেশ পাত্তা দেয় আসলে সব গুলি এক একটা বিচ্ছু। হঠাৎ করে সেদিন হাসি ঠাট্টার ভেতর এক অদ্ভুত একটা ব্যাপার ঘটে গেল সবার পারিবারিক নাম গুলে গেল  ঘুচে, নতুন নাম গুলো ও সব অদ্ভুত, একজনের নাম হোলা, মাথামোটা, হরি ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে যে নামটা সবাইকে ছাপিয়ে গেল তার নামটা পাছায় ঘা। বাংলা অধ্যাপিকার ক্লাস হচ্ছে, দুই বেঞ্চ পেছন থেকে ফিসফিস করে ডাকা হচ্ছে এই পাছায় ঘা, এই পাছায় ঘা, যাকে ডাকা হচ্ছে সে আর সহ্য করতে পারল না দাড়িয়ে উঠে বলল ম্যাডাম আমি আর ক্লাস করব না পেছন থেকে পাছায় ঘা ডাকছে।  ম্যাডাম মুচকি হেসে বলল এই তোমরা আর পাছায় ঘা ডে-কোনা।  আর ক্লাসের সব হেসে উঠলো। কিছুক্ষণ গেল আবার সেই ডাক অবশেষে সে গত গত করে ক্লাস থেকে বের হয়ে গেল আবার ক্লাস ভরে হাসির শব্দ। তার পর দুই দিন এই বিটকেলে গ্রুপ এর আড্ডায় তার কাছে ঘেঁসতে পারেনি পলাশ বোধ হয় বোঝাতে গিয়ে ২ ঘা খেয়েছিল।
মাঝে মাঝে পলাশের অস্থির লাগে, যেন ভাসমান সে নিজের অস্তিত্ব কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সবই যেন অলীক লাগে নিজেকে কোথাও জরিয়ে ফেলে সমরেশ মজুমদার গর্ভধারিণীর ভেতর, কখনও বা হেটে যায় হিমুর হাত ধরে সোডিয়াম লাইটে জেগে থাকে রাস্তায়। কিশোর মন স্থির হয়না কোথায়। একা থাকলেই এই ভাবনাগুলো আকরে ধরে তাকে

Monday, 15 July 2013

এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে!!

আমি কয়েক দিন আগে " স্ক্রাচের কর্নেল " বইটা পরছিলাম। রাত ভর ঘুমোতে পারিনি, বার বার মনে হচ্ছিল হোক না হয় বার্থ বিপ্লব তবুও সারাজীবনের সপ্ন সেই বিপ্লব সে করেছে। মনে হচ্ছিল এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে। কর্নেল তাহের আমার কাছে চে র মত নায়ক হয়ে আছেন মনে হয় আজীবন এই বিপ্লবী বার বার আসে না, তাদের সপ্ন গুলো আমাদের মত ছাপোসা মানুষ দের নারা দিয়ে যায়।

এই কথা গুলো লিখছি সেই প্রেক্ষাপট টা ভিন্ন, যাকে ঘৃনা করেছি সারাটা সময়, গোলাম আজম কে নিয়ে যার বিচারের রায় আজ ঘোষণা হবে। গত রাত থেকে ভাবছি "এক জীবনে একটা মানুষ কত কি করতে পারে!!"

অনেক আগে আমি পরেছিলাম "৭০ থেকে ৯০ বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট "। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গোলাম আজম যখন প্রথম দেশে এসেছিলেন, তখন বায়তুল মোকারম মসজিদে ফজরের নামাজের পর গণপিটুনি খেয়েছিল। আমি দেখেছি সেই লোকটা কোথাও জনসভা করলে লাখ মানুষের জমায়েত। আজ তার বিচারের রায়, সারা দেশে হরতাল স্তব্দ ঢাকা।

আমার ভেতর যেমন চে তাহের বেচে আছে, তেমনি হয়ত লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে বিপ্লবী হয়ে, এই বিচার তাদের ভেতর তাদের কাছে প্রহসন। গণহত্যার নায়ক হবে অনেক মানুষের আদর্শের নায়ক।

কেন এই অবস্থা, সুধুই সময় পেছনে ৪২ টা বছর লাখ মানুষের রক্তে কেনা পথে তার অবাধ বিচরণ, আজ তার বিচারের রায় যাই হোক না কেন, আমি কোনো প্রভেদ দেখি না। আজ তার মতাদর্শি অনেক অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর সে ইংলান্ডে বসে পাকিস্থান পুনরুদ্ধার করেছে।

এই লোকটা এত অন্যায়ের হোতা হয়েও ভাববে আমি পেরেছি, আমি পেরেছি। আর লাখ মানুষের ভেতর বেচে থাকবে। জানিনা পৃথিবীর কোনো দেশে স্বাধীনতার পর এত প্রহসন হয়ছে কিনা !!!